কোরোনায় বাবা-মাকে হারানোর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে কিভাবে দিন কাটাচ্ছে অসহায় দুই ভাই
দি নিউজ লায়ন; করোনা আক্রন্ত হয়ে 17 দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারানোর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে দিন কাটছে অসহায় দুই ভাইয়ের। নদিয়া আরংঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের নতুন হাই স্কুল পাড়া এখন 2 ভাইয়ের অভিভাবক বলতে রয়েছেন প্রায় আসি বছর বয়সী বৃদ্ধা ঠাকুমা। এছাড়াও করোনায় বাবা-মাকে হারানো ওই দুই সন্তানের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ও স্থানীয়রা। তবে তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে সংশয় দানা বাধতে শুরু করেছে।
জানা গিয়েছে ফুটপাতে কাপড় ব্যবসায়ী উৎপল সাহা করোনা আক্রান্ত হয়ে গত 19 মে মারা যান তার প্রায় 17 দিনের মাথায় চলতি ইংরেজি মাসের 4 তারিখ মারণ রোগের কাছে পরাজয় স্বীকার করেন উৎপল বাবুর স্ত্রী কাজল রানী সাহা। তিনি কল্যাণী কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বাবা-মায়ের গচ্ছিত অর্থ সম্পত্তি বলতে কিছুই নেই। থাকার মধ্যে রয়েছে এক চিলতে পৈত্রিক ভিটে। সেখানেই মাথা গুঁজে রয়েছে করোনায় মৃত দম্পতির দুই ছেলে সৌভিক ও সৌমিত।
সৌভিক এ বছর মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী। অন্যদিকে সৌমিত স্থানীয় একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র। এই বয়সে অন্যান্য ছেলে-মেয়েরা যখন খেলাধুলা করতে ব্যস্ত, তখন সদ্য পিতৃ-মাতৃ বিয়োগ এর শোক কাটিয়ে উঠতে পারছেনা দুই ভাই। তাদের চোখে-মুখে অসহায়তার ছাপ স্পষ্ট। বৃদ্ধা ঠাকুরমা বলেন, পরিবারের বড় ছেলে বৌমাকে কেড়ে নিয়েছে করোনা। আমরা অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছি।
গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বলেন, যতটা পারছি দুই সন্তানের পাশে দাঁড়িয়েছি। আগামী দিনে তারা যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায় সে ব্যাপারে চেষ্টা করছি।

Post a Comment